ঢাকাSunday , 6 September 2026

ধামইরহাটে কবর থেকে কঙ্কাল চুরির সঙ্গে জড়িত ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী 

admin
September 6, 2026 6:08 pm
Link Copied!

 

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাটে কবর খুঁড়ে রাতের অন্ধকারে কঙ্কাল চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সিয়াম হোসেন নামে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। কবর থেকে মরদেহের কঙ্কাল চুরির মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার ৬ নং জাহানপুর ইউনিয়নের বড়শিবপুর কাজিপাড়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষার্থী ঐ এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে এবং কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুনঃ  নাচোলে নিজেই ঘরবাড়ি ভেঙ্গে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির অভিযোগ

৫ সেপ্টেম্বর ( শনিবার) স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাস আগে ধামইরহাট উপজেলার কাজিপাড়া এলাকায় জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপাল ইলিয়াস আলমের বাবা মরহুম মোখলেছুর রহমানের দাফন সম্পন্ন করা হয়। সম্প্রতি তার কবরস্থানে গিয়ে কবরের মাটি খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান । বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ঐ কবর থেকে মরদেহের কঙ্কাল চুরি হয়েছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং কবরস্থানে জড়ো হন অনেকেই। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে। কবরের পবিত্রতা রক্ষা, মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যতে এমন ন্যাক্তারজনক ঘটনা যাতে না ঘটে সেই বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির হাত থেকে ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ গ্রহণ করলেন আত্রাইয়ের কৃতি সন্তান সামিউল ইসলাম

বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু হলে ওই শিক্ষার্থীর নাম সামনে আসে বলে দাবি করেছেন নিহতের সন্তান ও জগদ্দল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইলিয়াস আলম।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুরে এক বৈঠকে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও শতশত মানুষের কাছে সে কঙ্কাল চুরির ঘটনা নিজ মুখে স্বীকার করে। প্রায় ২০-২৫ দিন আগে সে কবর থেকে কঙ্কাল চুরি করে। আমার বাবার কঙ্কাল চুরির ঘটনার আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার আশা করছি।

আরও পড়ুনঃ  আত্রাইয়ে আল হাইথাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে সুদরানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

এ বিষয়ে জাহানপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মওদুদ আহমেদ মহিরের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। শুক্রবার দুপুরে গ্রাম্য বিচারে উপস্থিত ছিলেন কি না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ‘আমি কিছু জানি না’ বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।